সেবা সমূহ

সব দেখুন

সমন্বয় সভা মাসিক সমন্বয় সভা নভেম্বর ২০২৪ সচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ এর সভাপতিত্বে ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ শফিউল আরিফ মহোদয় স্যারকে শুভেচ্ছা বরণ নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মহোদয় স্যারকে শুভেচ্ছা বরণ নবনিযুক্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

ম্যাপ

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন

মাননীয় মন্ত্রী

minister

জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মাননীয় মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়

জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনী

বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩০ মার্চ, ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব। এর আগে তিনি ২০ মার্চ, ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ৫ম জাতীয় কাউন্সিলে জনাব আলমগীরকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জনাব আলমগীর তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও-০১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি নবম সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ছাত্র আন্দোলন

জনাব আলমগীর ১৯৬০-এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র থাকাকালীন তার রাজনৈতিক অভিযান শুরু করেন। সেই সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগদান করেন। তিনি সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন। জনাব আলমগীর পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে উঠে আসেন এবং ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের তুঙ্গে ওঠার সময়, মির্জা আলমগীর সংগঠনের মর্যাদাপূর্ণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হিসেবে আবির্ভূত হন। রাজনৈতিক কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

রাজনীতিতে প্রবেশ

জনাব আলমগীর ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে তিনি নিরপেক্ষ প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেশব্যাপী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে জনাব আলমগীর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিতে যোগদান করেন। ১৯৯২ সালে জনাব আলমগীরকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়।

প্রাথমিক জীবন

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণকারী জনাব আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন । শিক্ষাজীবন শেষ করার পর, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শিক্ষা ক্যাডারের) এর সদস্য হিসেবে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে একজন সফল শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অন্যান্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে, জনাব আলমগীর বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেন, ১৯৮২ সালে এস.এ. বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যক্তিগত জীবন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন,যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকায় একটি বীমা কোম্পানিতে কর্মরত। এই দম্পতির দুই কন্যা, মির্জা শামারুহ এবং মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং এই প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো। কনিষ্ঠ কন্যা মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি একটি স্বনামধন্য স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

জনাব আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচিত পৌরসভা চেয়ারম্যান।

তাঁর বাবা মির্জা রুহুল আমিন, একজন বিশিষ্ট আইনজীবী এবং প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, ঠাকুরগাঁও নির্বাচনী এলাকা থেকে বেশ কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

আলমগীরের চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন একজন বিএনপি রাজনীতিবিদ যিনি ভূমিমন্ত্রী (১৯৭৮-৭৯), আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী (১৯৯১-৯৬) এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার (১৯৭৯-৮২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মির্জা হাফিজ ১৯৭৯ সালে ঢাকার একটি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মির্জা আলমগীরের আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস.আর. মির্জা ১৯৭১ সালের এপ্রিলে গঠিত মুজিবনগর প্রবাস সরকারে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ সুবিধা তদারকির জন্য নবগঠিত যুব শিবির অধিদপ্তরের প্রধান হিসেবে তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিল।

বিস্তারিত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী
minister

জনাব মীর শাহে আলম

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

মীরশাহে আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি)’ একজন রাজনীতিবিদ।তিনি বগুড়া- (শিবগঞ্জ) আসনথেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবংবর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়েরপ্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত।

ব্যক্তিগতও পারিবারিক জীবন

মীরশাহে আলম ১৯৭০ সালের৭ আগস্ট বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জেবেড়ে ওঠেন। এই অঞ্চলের সঙ্গেতাঁর গভীর নিবিড়সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যাপরবর্তীতে তাঁর রাজনৈতিক জীবনেরমূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

তিনিমোছাঃ রাজেনা বেগম প্রয়াত মীর মোজাফফর রহমানেরছয় সন্তানের মধ্যে পঞ্চম তাঁর সহধর্মিণীমীর লাবণী আক্তার। তাদের দুই পুত্রমীরশাকরুল আলম সিমান্ত ওমীর সাকলাইন আলম দিগন্ত এবংএক কন্যা মীর সামারা সুনাতকায়নাত।

তাঁরপরিবারের রাজনীতির সাথে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততারয়েছে চাচা মীরআবু জাকের মাকু, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমূল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনকরে আসছেন। বড় ভাই মীরআইনুর রহমানও দীর্ঘদিন শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন।। পারিবারিক এই ধারাবাহিকতা পরবর্তীপ্রজন্মেও অব্যাহত রয়েছেবড় ছেলে মীরশাকরুল আলম সিমান্ত শিবগঞ্জউপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরসহধর্মিণীও ঢাকা বগুড়াতেবিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে নিয়োজিত আছেন। পাশাপাশি, তাঁর সহধর্মিণী ঢাকাও বগুড়ায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন, যাপরিবারটির সামগ্রিক সামাজিক সম্পৃক্ততাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

শিক্ষাও ছাত্ররাজনীতি

মীরশাহে আলম শিবগঞ্জ এম.এইচ. কলেজে অধ্যয়নকরেন। পরবর্তীতে তিনি এম.বি. সম্পন্ন করেন।

১৯৮৯সালে বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদানের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু।পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে উপজেলাছাত্রদলের সম্পাদক এবং ১৯৯২ সালেজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৯৭সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সেআটমূল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনিপ্রাতিষ্ঠানিক রাজনৈতিক জীবনের শুভসূচনা করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অভ্যন্তরে তিনি ধাপে ধাপেগুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন:

  • ২০০২: শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব লাভ।
  • ২০০৯: শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
  • ২০১০: শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্পাদক এবং বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত।
  • ২০১৩ ২০২২: শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০২২ সালে পুনরায় একই পদে দায়িত্ব পান।
  • ২০২২: একই বছর তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

২০২৬সালে তিনি বগুড়া-২আসন থেকে সংসদ সদস্যনির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবনেএক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়েরপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখযোগ্য অবদান

সাফল্যমণ্ডিতরাজনৈতিক ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তিনি একজন সফলউদ্যোক্তা এবং রূপসী বিডিগ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রমএগ্রো, নিউট্রিশন মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহবিভিন্ন খাতে বিস্তৃত, যাঅর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

জনসেবামূলককর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়।তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর পরিচালক হিসেবেদুই দফায় দায়িত্ব পালনকরেছেন। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্পকর্পোরেশন (বিসিক)-এর পরিচালক হিসেবেওদায়িত্ব পালন করে শিল্পখাতেরউন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন।

সমাজউন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষা ক্রীড়াকে তিনিবিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এইলক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি নিজ এলাকায়একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, এতিমখানা ক্রীড়া কেন্দ্রপ্রতিষ্ঠা পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।এসব উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক কল্যাণ এবং তরুণ প্রজন্মেরসুস্থ শারীরিক মানসিক বিকাশেউল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।

বিস্তারিত

সচিব

minister

মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী

সচিব

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ

জনাব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী (৬৩৩৮) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান ২ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখ এবং সচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় হিসেবে ০৩ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে যোগদান করেন। যোগদানের অব্যাহিত পূর্বে তিনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৫-তম ব্যাচের একজন সদস্য। তিনি সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে ১৯৯৫ সালের ১৮ নভেম্বর হবিগঞ্জ কালেক্টরেট যোগদান করেন।

জনাব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ থেকে এইচএসসি, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএসএস (সম্মান) ও এমএসএস (মাষ্টার্স) সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে গভর্নেন্স স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের ব্রাডফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ফাইন্যান্সিয়াল ইকোনমিকস্ এ আরও একটি মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি মাঠ পর্যায়ে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিষ্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সিনিয়র সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এবং চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেন। তিনি সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ে কাজ করেন।

জনাব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী দেশে দক্ষতা কৃষিমূলক নানা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্যযোগ্য প্রশিক্ষণ সমূহঃ বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স, আইন ও প্রশাসন কোর্স, আর্থিক অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা (FEEM) কোর্স, ট্রেনিং ইন বাজেটিং এন্ড একাউন্টিং সিস্টেম (টিআইবিএস) সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা কোর্স, পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন গভর্ণ্যান্স স্ট্যাডিস কোর্স ইত্যাদি। এছাড়াও বিদেশে নানা দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণে অংশ নেন যার মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ডের মহিদল ইউনিভার্সিটির এফপিএইচ-এ জনস্বাস্থ্যের বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, মালয়েশিয়ায় রেলওয়ে অবকাঠামো সম্পদ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেনিং অন কমিউনিটি ক্লিনিক, অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটিতে প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ইত্যাদি। উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণসহ সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড প্রভৃতি দেশ সফর করেন।

জনাব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী চট্রগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার চাতরী গ্রামের ঐতিহাসিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ঐতিহাসিক পূর্বপুরুষ হলেন ফতে খান। যিনি ছিলেন বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব শাহ সুজার প্রধান সেনাপতি। তিনি বিবাহিত এবং ০১ কন্যা সন্তানের জনক।

বিস্তারিত

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

minister

মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ)

ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ১৩তম ব্যাচের একজন বিশিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন ক্যাডার)-এর একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য। তিন দশকেরও বেশি সময়ব্যাপী এক বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশে জনপ্রশাসন, সুশাসন এবং নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তিনি ২০২৫ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ে জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, যেখানে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা, নীতি বিশ্লেষণ এবং প্রশাসনিক সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি একজন ক্রীড়ামোদী এবং বাংলাদেশ সেপাক টাকরো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। জনাব রহমান ১৯৯৪ সালে সহকারী কমিশনার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন এবং তারপর থেকে কেরানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), একাধিক প্রশাসনিক এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নানা নেতৃত্বের ভূমিকাসহ মাঠপর্যায় ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে নানা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কর্মজীবনে তৃণমূল পর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং উচ্চপর্যায়ের নীতি নির্ধারণী দক্ষতার এক অনন্য মিশ্রণ প্রতিফলিত হয়। শিক্ষাগতভাবে, তিনি নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে গভর্নেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্সে (ব্যাংকিংয়ে মেজর) মাস্টার অফ কমার্স ও ফিন্যান্সে ব্যাচেলর অফ কমার্স (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান সুশাসন, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং আর্থিক প্রশাসনে তাঁর ব্যবহারিক দক্ষতাকে দৃঢ়ভাবে পরিপূরক করে। কর্মজীবন জুড়ে জনাব রহমান উদীয়মান প্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন নীতির উপর আলোকপাত করে মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইনে বিশেষায়িত কোর্সসহ অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর অনুকরণীয় নেতৃত্ব, সততা এবং জনসেবার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের জন্য ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। তাঁর নৈতিক মান এবং পেশাগত উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ, তাঁকে ২০১৯ সালে সততা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জনাব রহমানের দীর্ঘদিনের সেবা বাংলাদেশে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালীকরণ এবং কার্যকর শাসনব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতি তাঁর অবিচল নিষ্ঠার প্রতিফলন। তিনি কুমিল্লা সদরের একটি খাঁটি মুসলিম পরিবার থেকে এসেছেন।

বিস্তারিত

সভার ক্যালেন্ডার

Su Mo Tu We Th Fr Sa
1 2 3
4 5 6 7 8 9 10
11 12 13 14 15 16 17
18 19 20 21 22 23 24
25 26 27 28 29 30 31

সেবা সহজিকরণ

বাংলাদেশ ই-ডিরেক্টরি

জাতীয় সঙ্গীত

বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম